প্রিয়জনের ছবি
রবীন্দ্রনাথ
একবার আক্ষেপ করে বলেছেন — ‘হায় ছবি, তুমি শুধু ছবি’। প্রিয়জনের ছবির কী মাহাত্ম্য তা সেকালের মানুষ হয়তো জানত না। সাম্প্রতিক কিছু
গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রিয়জনের ছবি মনের চাপ (স্ট্রেস) কমাতে এবং মানসিক আরোগ্যে
(ইমোশনাল হিলিং) বেশ ভাল কাজ করে। এর পিছনে কিছু গবেষণা-সমর্থিত কারণ রয়েছে:
∙ প্রিয়জনের ছবি
দেখলে ‘লাভ হরমোন’ বা অক্সিটোসিন
নিঃসৃত হয়, যা বন্ধনের অনুভূতি বাড়ায় এবং শরীরকে রিল্যাক্স করে। এতে স্ট্রেস কমে।
∙ আর একটি
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রিয়জনের ছবি দেখার পর মানুষের পজিটিভ অনুভূতি
বেড়েছে এবং স্ট্রেসের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
∙ প্রিয়জনের ছবি
দেখলে শারীরিক ব্যথা কম অনুভূত হয় — এমনকী স্ট্রেস বা ব্যথার সময় প্রিয়জনকে সামনে
না রাখতে পারলেও ছবিটি প্রায় একই কাজ করে। অনেক গবেষণায় বলা হয়েছে যে এটি
প্রিয়জনের সঙ্গে থাকার মতোই কার্যকর হতে পারে।
∙ প্রিয়জনের ছবি
দেখলে ‘ফিল-গুড’ হরমোনগুলো
(ডোপামিন, সেরোটোনিন)বাড়ে, যা মেজাজ ভাল
রাখে এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়।
এসব কারণেই
অনেকে ওয়ালেটে, ফোনে বা ডেস্কে প্রিয়জনের ছবি রাখেন — বিশেষ করে কাজের যায়গায় বা দূরে থাকার
সময়। এমনকী হাসপাতালে বা স্ট্রেসফুল পরিস্থিতিতে এটি খুব সাহায্য করে।
আপনি কি নিজে কখনও এটা অনুভব করেছেন? যদি না করে থাকেন, যখনই মনটা একটু ভারী লাগবে, প্রিয়জনের সেই বিশেষ ছবিটা খুলে দেখুন, মনটা হালকা হয়ে যাবে।👩🏻
Comments
Post a Comment